রোববার রাতে উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের খতিয়া গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু হানিফ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- খতিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আশরাফ (২৩) ও শহিদের ছেলে সিয়াম (২৪)। তাদের মধ্যে সিয়াম মামলার এজাহারনামীয় আসামি।
ওসি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে মামলার এজাহারনামীয় চার আসামি শাহাদাত দেওয়ান ওরফে শাওন (২২), তামিম আহমেদ (২১), বিকাশ (২৩) ও জিহাদুল ইসলাম ওরফে মৃদুলকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার আসামিরা জাহাঙ্গীরকে হত্যার পর মরদেহ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে জাহাঙ্গীরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কালীগঙ্গা নদীর তীরে লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় পরদিন জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই মো. বিপ্লব হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি স্থানীয় খতিয়া জাগ্রত সবুজ সংঘের সভাপতি ছিলেন।
ওসি মো. আবু হানিফ জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ, সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে অভিযান চালালেও এখন পর্যন্ত জাহাঙ্গীরের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধারে এবং মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।








