1. nasiruddinsami@gmail.com : sadmin :
তোমার আদর্শ বুকে জেগে রইবো পিতা - সংবাদ সারাদেশ ২৪
শনিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সবজিতে স্বস্তি, কমেনি চাল-ডাল-মাছ-মাংসের দাম মানিকগঞ্জ- ২আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এস এম আব্দুল মান্নানের মনোনয়নপত্র দাখিল মানিকগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু মানিকগঞ্জ-২ আসনে নৌকা প্রতিকের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন – মমতাজ বেগম জাতীয় পার্টি অবাধ সুষ্ঠ ওগ্রহন যোগ্য নির্বাচন চায়- এস এম আব্দুল মান্নান মমতাজ বেগমককে ৩য় বারের মতো নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় এলাকাবাসীর আনন্দ মিছিল মানিকগঞ্জ-৩টি আসনে নৌকার প্রতিক পেলেন যাঁরা সিংগাইরে সরকারি বিদ্যালয়ে কিন্ডারগার্টেন চালাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম সরকার মানিকগঞ্জ-২ আসনে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি ঘিওরে বীর মুক্তিযোদ্ধা টাইগার লোকমান হোসেন মুখে মুক্তিযুদ্ধের গল্প

তোমার আদর্শ বুকে জেগে রইবো পিতা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৪ বার

সংবাদ সারাদেশ টোয়েন্টিফোর.কম

সর্বকালের সেরা বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারন করে আবারো স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার করলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী-মুজিববর্ষ উদযাপনের বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ অঙ্গীকার করেন।

পিতাকে উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, তোমার কাছে আমাদের অঙ্গীকার, তোমার স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়বোই। আর সেদিন বেশি দূরে নয়। তুমি ঘুমিয়ে আছ টুঙ্গিপাড়ার সবুজ ছায়াঘেরা মাটিতে পিতা-মাতার কোলের কাছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তুমি ঘুমাও পিতা শান্তিতে। তোমার বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমরা জেগে রইবো তোমার আদর্শ বুকে নিয়ে। জেগে থাকবে এদেশের মানুষ – প্রজন্মের পর প্রজন্ম – তোমার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে। বঙ্গবন্ধুর দেয়া পতাকা চিরদিন সমুন্নত থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী কবিগুরুর ভাষায় বলেন-

তোমার পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দাও শকতি।
তোমার সেবার মহৎ প্রয়াস সহিবারে দাও ভকতি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী-মুজিববর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শুরুতে শেখ হাসিনা দেশের ভেতরে ও বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশের সব নাগরিক ও বিশ্ববাসীকে মুজিববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে নিজের ও ছোটবোন শেখ রেহানার পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান দেশের সব বয়সের ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসজনিত উদ্ভুত পরিস্থিতির বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে অনুষ্ঠানে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়েছে। বিদেশি অতিথিদের সফর স্থগিত করা হয়েছে। তবে বছরব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা মুজিববর্ষ উদযাপন করবো।

ভূটানের মহামান্য রাজা জিগমে খেসার নমগেয়েল ওয়াংচুক, নেপালের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী, ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী, জাতিসংঘের মহাসচিব এন্টিনিও গুতেরাস এবং ওআইসি’র মহাসচিব ড. ইউসুফ আল ওথাইমিনসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি শুভাকাঙ্ক্ষী ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আমি তাঁদের ব্যক্তিগতভাবে এবং বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শুরুতে বলেন, আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি ১৫ই আগস্টের শহিদদের প্রতি। স্মরণ করছি জাতীয় ৪-নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদকে। নির্যাতিত মা বোন এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধাদের সালাম।

এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ১৯২০ সালের আজকের দিনে এই বাংলায় জন্ম নিয়েছিলেন এক মহাপুরুষ। তিনি আমার পিতা, শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ নামের এই দেশটি তিনি উপহার দিয়েছেন। দিয়েছেন বাঙালিকে একটি জাতি হিসেবে আত্মপরিচয়ের মর্যাদা। তাইতো তিনি আমাদের জাতির পিতা।

দুঃখী মানুষকে ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিতে নিজের জীবনের সব সুখ-আরাম বিসর্জন দিয়ে তিনি সংগ্রাম করেছেন আজীবন। বারবার কারারুদ্ধ হয়েছেন। মানুষের দুঃখ-কষ্ট তাঁকে ব্যথিত করতো। অধিকারহারা দুঃখী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যেকোন ত্যাগ স্বীকারে তিনি দ্বিধা করেননি। এই বঙ্গভূমির বঙ্গ-সন্তানদের একান্ত আপনজন হয়ে উঠেছিলেন – তাই তিনি ‘বঙ্গবন্ধু’।

শেখ হাসিনা বলেন, অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের প্রতি। আমরা মুজিববর্ষ পালনের সুযোগ পেয়েছি। এ যে আমাদের জীবনে কত বড় পাওয়া, তা ভাষায় বোঝাতে পারব না। আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই দেশবাসীর প্রতি – যাঁরা আমার দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে, পরপর তিনবার সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে মুজিববর্ষ উদযাপনের সুযোগ করে দিয়েছেন।

পিতাকে স্মরণ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের দুঃখ-কষ্টে ব্যথিত হতেন জাতির পিতা। অকাতরে বিলিয়ে দিতেন তাঁর জামাকাপড়, বই, ছাতা। যার যখন যা প্রয়োজন মনে করতেন, তাকে নিজের জিনিষ দিয়ে দিতেন। নিজের খাবারও তিনি ভাগ করে খেতেন। দুর্ভিক্ষের সময় গোলার ধান বিলিয়ে দিতেন। মানুষের জন্য কিছু করতে পারার মধ্যেই তিনি আনন্দ পেতেন। নিজের জীবনের কোন চাওয়া পাওয়া ছিল না। বাংলাদেশের মানুষকে উন্নত, সুন্দর জীবন নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন তিনি। তাঁর সে ত্যাগ বৃথা যায়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে মর্যাদার আসনে আসীন। আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। গড়তে হবে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। আজকের শিশু-কিশোর, তরুণ সমাজের কাছে আমার আবেদন – তোমরা দেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসবে। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীনতা।

তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে চলার উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে তোমাদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। ঠিক যেভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মানুষকে ভালবেসেছিলেন, সেভাবেই ভালোবাসতে হবে। তাঁর আদর্শে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2023 SangbadSaraDesh24.Com
Theme Customized By BreakingNews